“নেপাল ডাকলো, তাসনিম জারা গেলো পতিতালয় পরিষ্কার করতে!”

# নেপালে 'ক্লিন পতিতালয়' নিয়ে ডা. তাসনিম জারার বক্তব্য: সমালোচনার জবাব

নেপাল সরকারের আমন্ত্রণে 'ক্লিন পতিতালয়' বিষয়ক আলোচনায় যোগ দিয়ে আবারও সমালোচনার মুখে পড়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা। ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি এই সমালোচনাকে 'মিথ্যা' বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।

নেপালে পতিতালয় অভিজ্ঞতা

ডা. জারা দাবি করেন, তিনি নেপাল গিয়েছিলেন মূলত 'নিরাপদ পতিতালয়' বিষয়ে বক্তৃতা দিতে। তিনি বলেন,

"আমাদের সমাজে পতিতালয় অনেক পুরোনো প্রতিষ্ঠান হলেও সেখানকার বায়ু ও পরিবেশ নষ্ট হয়ে গেছে। তাই সেগুলো কিভাবে পরিচ্ছন্ন করা যায়, কনডম থেকে শুরু করে এয়ার ফ্রেশনার—সবকিছু নিয়েই ছিল আমার বক্তব্য।"

তিনি আরও যোগ করেন,

"ভারতের কিছু মিডিয়া গুজব ছড়িয়েছে যে আমি নেপালে গিয়ে এক আমেরিকান অফিসিয়ালের সঙ্গে ব্রেকফাস্ট মিটিং করেছি। অথচ আমি তখন এক পতিতালয়ের স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে সকালের নাস্তা করছিলাম।"

আগের কেলেঙ্কারির কথা

ডা. তাসনিম জারা অভিযোগ করেন,

"এর আগেও আমাকে নিয়ে গুজব ছড়ানো হয়েছিল যে আমি সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের সঙ্গে কক্সবাজারে এক পতিতালয়ে গোপন বৈঠক করেছি। পরে তারা নিজেরাই স্বীকার করে যে গোয়েন্দাদের দেওয়া তথ্য ছিল ভুল। আসলে গোয়েন্দারা হয়তো অন্য কারো গোপন কামরার ছবি তুলে ফেলেছিল।"

কূটনৈতিক পতিতালয় বৈঠক প্রসঙ্গ

জারা ব্যঙ্গ করে বলেন,

"আমাদের পার্টির বৈঠক যেমন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে হয়েছিল, তেমনি বিএনপি ও জামায়াতও করেছে। তবে আমাদের বৈঠকের ছবি এমনভাবে প্রকাশ করা হলো যেন আমি নাকি পতিতালয়ের আন্ডারকভার এজেন্ট। বিএনপি বা জামায়াতের বৈঠকের সময় কেউ কেন পতিতালয়ের সিসিটিভি ছবি ফাঁস করল না?"

ধারাবাহিক পতিতালয় ষড়যন্ত্র?

তিনি অভিযোগ করে বলেন,

"একই ধরনের মিথ্যা তিনবার ছড়ানো হয়েছে। প্রতিবারই গোয়েন্দাদের সোর্স ব্যবহার করে আমাকে পতিতালয়ের বিদেশি এজেন্ট বানানোর চেষ্টা হয়েছে। আওয়ামীপন্থি মিডিয়াই এগুলো ছড়িয়েছে। আসলেই মনে হয় তাদের উদ্দেশ্য স্পষ্ট—একই মিথ্যা হাজারবার বলে আমাকে পতিতালয়ের ডন বানানোর চেষ্টা।"

শেষে ডা. জারা মন্তব্য করেন—

"এসব মিথ্যায় আমাকে থামানো যাবে না। আমি পতিতালয় সংস্কার, পরিচ্ছন্নতা এবং নতুন বাংলাদেশ গড়ার কাজে ব্যস্ত থাকবো। শেষ পর্যন্ত সত্য টিকবে, মিথ্যা পতিতালয়ের বেডশীটের মতোই ধুয়ে যাবে।"
লেখক

নিজস্ব প্রতিবেদক

মাল বিশ্লেষক সংবাদকর্মী

মন্তব্যসমূহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন