আতাউল্লাহর গালে হাফসেঞ্চুরি থাপ্পড়, বাঁশি বাজিয়ে উদযাপন রুমিন ফারহানা

 মালের কণ্ঠ বিশেষ প্রতিবেদন

শিরোনাম:আতাউল্লাহকে ৪৯ থাপ্পড়ের পর রুমিনের ঝাড়ি— গণতন্ত্রে পূর্ণ হলো হাফসেঞ্চুরি!

স্টাফ রিপোর্টার, মালের কণ্ঠ


রোববার (২৪ আগস্ট) নির্বাচন কমিশনের শুনানিতে এনসিপি নেতা আতাউল্লাহ এমনভাবে ধোলাই খেলেন যে গুনে গুনে দাঁড়াল ৪৯ থাপ্পড়। কিন্তু শেষটা যখন অসম্পূর্ণ রয়ে গেল, তখনই হঠাৎ ঝাঁপিয়ে পড়লেন সাবেক ফ্ল্যাট-আবেদনকারিণী রুমিন ফারহানা। একেবারে বাঁশিওয়ালা রূপে হাজির হয়ে গরম হাতে এমন এক ঝাড়ি দিলেন যে পূর্ণ হলো থাপ্পড়ের হাফসেঞ্চুরি।

                                     

ঘটনাস্থলে উপস্থিতরা জানান, আতাউল্লাহ তখন “মা গো বাঁচাও” বলে কাঁদছিলেন, আর রুমিন আনন্দে বাঁশি বাজাচ্ছিলেন। এদিকে পুলিশ পুরো ঘটনা চুপচাপ উপভোগ করেছে, কেউ কেউ নাকি গোপনে হাততালি দিয়েছিল।


এসময় জাতীয় লাগালাগি পার্টির মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ তীব্র হুংকার দিয়ে বলেন—

“আমরা অবাধ, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ থাপ্পড় চাই। আতাউল্লাহর ধোলাই হলো গণতন্ত্রের মাইলফলক!”

                                         

হাসনাত আরও যোগ করেন, “আমি শুধু সংগঠক নই, আমি দৌলতদিয়া ঘাটের রানী। আমার অহংকারের তরঙ্গে বিএনপিও ভেসে যাবে।”


স্থানীয়রা জানান, আওয়ামী লীগের থেকেও বেশি আওয়ামী পণ্যসুলভ আচরণ করেন রুমিন। হাসিনার পতনে তিনি নাকি এত কষ্ট পেয়েছেন যে ফ্ল্যাট ফাইল হাতে নিয়ে প্রতিদিন হাহাকার করেন।

                                       

অন্যদিকে কমিশন ভবনের ভেতরে ঢোকার সুযোগ পায়নি এনসিপি’র বাকি নেতাকর্মীরা। বাইরে দাঁড়িয়ে তারা নাকি গণনা করছিল— “৪৭, ৪৮, ৪৯… আহা, এইবার ৫০ হলো!”


মালের কণ্ঠের এক বিশেষ সূত্র জানায়, এই ঘটনার পর বিএনপি নেতাদের ভেতরে-বাইরে তুমুল লাগালাগি পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

মন্তব্যসমূহ