📰 মালের কন্ঠ বিশেষ নিউজ
ঢাকা:
বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থায় আবারও ‘নতুন কোটার’ সংযোজন— জামাই কোটায় নিয়োগ! সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে নতুন করে ২৫ জনকে বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। কিন্তু আলোচনার ঝড় উঠেছে একজনকে ঘিরে— জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা সারজিস আলমের শ্বশুর অ্যাডভোকেট মো. লুৎফর রহমান।
তিনি এতদিন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ছিলেন। কিন্তু আইন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন বের হতেই লোকে প্রশ্ন তুলেছে— “যোগ্যতা দিয়ে বিচারপতি হওয়া লাগে নাকি শুধু ভালো জামাই পেলেই চলবে?”
আইনজীবী মহলের গুঞ্জন, এ যেন ‘শ্বশুর পদে উন্নীত’ হওয়ার সেরা উদাহরণ। কেউ কেউ মজা করে বলছেন— “মামলার রায় বুঝি এখন থেকে যাবে শ্বশুরবাড়ির আড্ডায়!”
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নিয়োগ দিয়েছেন। তবে সমালোচকদের তীর্যক মন্তব্য— “এটা আসলে ৯৫(১) না, বরং ৯৫(জামাই) অনুচ্ছেদ!”
নিয়োগপ্রাপ্ত ২৫ জনের মধ্যে আইন ও বিচার বিভাগের সচিব, যুগ্ম সচিব, সাতজন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল, সুপ্রিম কোর্টের ৯ জন আইনজীবী আছেন। কিন্তু শিরোনাম একটাই— “সারজিস আলমের শ্বশুর”।
রাজনৈতিক অঙ্গনের বিদ্রূপ—
“শ্বশুর হলে বিচারপতি, তবে শালী হলে কি এমপি?”
“বউ হলে কি সরাসরি মন্ত্রিসভায়?”
“এই দেশে মামার কোটাও কি চালু হবে?”
বিচারপতির এই নিয়োগ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়:
কেউ লিখেছে: “দেশে আইন পড়ার দরকার নাই, শুধু ভালো জামাই খুঁজে আনো।”
আরেকজনের স্ট্যাটাস: “শ্বশুর যদি বিচারপতি হয়, জামাইয়ের মামলার রায় কোর্টে না গিয়ে শ্বশুরবাড়ির ড্রয়িং রুমেই হয়ে যাবে।”
কেউ আবার খোঁচা মেরে বলছে: “শ্বশুর হলে বিচারপতি, বউ হলে সরাসরি মন্ত্রী— আর শালী হলে কী এমপি?”
মালের কন্ঠের এক পাঠকের মন্তব্য—
👉 “এবার থেকে LLB দরকার নাই, শুধু ভালো জামাই দরকার।”
মালের কন্ঠের প্রশ্ন:
বিচারব্যবস্থা কি তবে এখন থেকে আইন দিয়ে না, আত্মীয়তার গ্যারান্টিতে চলবে? 🤔





মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন