ভোটাররা কি ভোটের চেয়ে খিচুড়ি খেতে বেশি আগ্রহী?

আজকের নির্বাচনী নাটকের নতুন অধ্যায়— ভিপি প্রার্থী মো. আবিদুল ইসলাম খানের অভিযোগ, “ভোটাররা বুথে নেই, তারা নাকি খিচুড়ির পাতিলে ব্যস্ত!”


সকালে সাংবাদিকদের সামনে দাঁড়িয়ে তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন—

👉 “ভোটটা উদযাপন করতে চাই, অভিযোগ করতে চাই না।”

কিন্তু বিকেল হতেই দৃশ্যপট পাল্টে গেল। দেখা গেল সিনেট ভবনে গিয়ে হাতে অভিযোগপত্র, মুখে হতাশার ছাপ।


অভিযোগের নতুন ধরন


শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রে ঢুকে যাওয়ার অভিযোগের জবাবে তিনি বললেন—

👉 “রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি নিয়েই ঢুকেছি।”

তবে ভোটারদের ‘অনুপস্থিতি’ নিয়ে তার প্রধান বক্তব্য ছিল অন্যরকম— বুথে নয়, সবার ভিড় নাকি খিচুড়ির হাড়ির সামনে।


ভোট না খিচুড়ি?


প্রশ্ন এখন একটাই— এ নির্বাচনে ভোট হবে, নাকি খিচুড়ির ফেস্টিভাল?

আবিদের ভাষায়,

👉 “চোখে পড়ার মতো ভোটার আছেন, তবে বুথে নয়, খাবারের লাইনে।”

শুনে মনে হচ্ছে ভোটের দিনটা আসলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘খাদ্য মেলা ২০২৫’।


লিফলেট না চিটিং শিট?


অন্যদিকে প্রার্থীর ব্যাখ্যা আরও রহস্যময়—

👉 “৪১টা ব্যালট নম্বর মনে রাখা কঠিন, তাই আমরা লিফলেট দিয়েছি।”

অর্থাৎ ভোটে লিফলেট দেওয়া মানে চিটিং নয়, বরং ‘একাডেমিক গাইডলাইন’! 📚


১০০ মিটার নিয়ম?


প্রশাসন বলছে ১০০ মিটারের মধ্যে প্রচারণা নয়। কিন্তু আবিদের যুক্তি—

👉 “ভিপি প্রার্থী হিসেবে ভোট মনিটরিং করা আমার দায়িত্ব।”

মানে দাঁড়ালো, নির্বাচন কমিশন যদি অলস হয়, তবে একাই তিনি পর্যবেক্ষক, বিচারক, আর অতিথি বক্তা— সব!



দিনশেষে স্পষ্ট হলো, এ নির্বাচনের আসল প্রতিদ্বন্দ্বিতা ব্যালট বাক্স আর প্রার্থীদের মাঝে নয়— খিচুড়ির পাতিল আর ভোটের লাইনের মাঝে।

👉 প্রশ্ন এখন একটাই— ভোটাররা কি ভোট দেবেন, নাকি শেষ পর্যন্ত খিচুড়িই জয়ী হবে? 🍲

মন্তব্যসমূহ